সরাসরি ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলবে যারা

স্বাগতিক দেশ হিসেবে ভারতের সরাসরি বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিতই ছিল। তাদেরকেসহ আয়োজিত ১৩ দলের আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ সুপার লিগের মাধ্যমে সরাসরি জায়গা করে নিয়েছে আরও সাতটি দল।

বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার প্রথম ওয়ানডে পরিত্যক্ত হয়ে গেল বৃষ্টিতে। এতে দুঃসংবাদ পেল আইরিশরা। আর সুখবর মিলল দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য। শঙ্কা উড়িয়ে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিল প্রোটিয়ারা। তাদের দিয়ে নিশ্চিত হলো কোন আটটি দল সরাসরি খেলবে ক্রিকেটের ৫০ ওভারের সংস্করণের বিশ্ব আসরে।মঙ্গলবার ইংল্যান্ডের চেমসফোর্ডে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে টস হেরে আগে ব্যাটিং পেয়ে ৯ উইকেটে ২৪৬ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে আয়ারল্যান্ড ১৬.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ৬৫ রান তোলার পরই নামে বেরসিক বৃষ্টি। তা আর না থামায় আম্পায়াররা খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। এতে আইরিশদের সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার যে ক্ষীণ সম্ভাবনা ছিল, সেটাও শেষ হয়ে গেছে। আর শেষ দল হিসেবে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার টিকিট পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

স্বাগতিক দেশ হিসেবে ভারতের সরাসরি বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিতই ছিল। তাদেরকেসহ আয়োজিত ১৩ দলের আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ সুপার লিগের মাধ্যমে সরাসরি জায়গা করে নিয়েছে আরও সাতটি দল। তারা হলো নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, আফগানিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

১৩ দলের সুপার লিগের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড। ২৪ ম্যাচে তাদের অর্জন ১৭৫ পয়েন্ট। আটে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার পয়েন্ট ২১ ম্যাচে ৯৮। তাদের কম ম্যাচ খেলার কারণ হলো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ বাতিল করে তারা। সিরিজটি চলতি বছরের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। বাংলাদেশের অবস্থান চার নম্বরে। ২২ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ১৩৫। আইরিশদের বিপক্ষে বাকি দুই ওয়ানডের ফল বিবেচনায় তাদের সর্বোচ্চ দুইয়ে ওঠার সুযোগ রয়েছে।

বর্তমানে দুইয়ে আছে বিশ্বকাপের শিরোপাধারী ইংল্যান্ড। তাদের পয়েন্ট ২৪ ম্যাচে ১৫৫। তিনে থাকা ভারতের অর্জন ২১ ম্যাচে ১৩৯ পয়েন্ট। সমান ম্যাচে পাকিস্তানের পয়েন্ট ১৩০। তাদের অবস্থান পাঁচ নম্বরে। ষষ্ঠ স্থানে অস্ট্রেলিয়া রয়েছে ১৮ ম্যাচে ১২০ পয়েন্ট নিয়ে। আফগানিস্তানের অবস্থান সাতে। তাদের নামের পাশে ১৫ ম্যাচে রয়েছে ১১৫ পয়েন্ট।ভারতের মাটিতে চলতি বছরের শেষদিকে গড়াবে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ। সূচি অনুসারে, প্রথমে রাউন্ড রবিন ও পরবর্তীতে নকআউট পদ্ধতিতে অনুষ্ঠেয় ১০ দলের আসর শুরু হবে আগামী ৫ অক্টোবর। প্রায় দেড় মাসব্যাপী প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৯ নভেম্বর। সরাসরি ওঠা আটটি দলের সঙ্গে বিশ্বকাপে খেলবে বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা আরও দুটি দল।আগামী জুন-জুলাই মাসে জিম্বাবুয়ের মাটিতে হবে বাছাইপর্ব। সেখানে সুপার লিগ থেকে সরাসরি বিশ্বকাপে উঠতে ব্যর্থ হওয়া বাকি পাঁচ দলের (ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে ও নেদারল্যান্ডস) সঙ্গে লড়বে প্রাক-বাছাই পেরিয়ে আসা আরও পাঁচটি দল। তারা হলো নেপাল, ওমান, স্কটল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্র।

Loading

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *