জুমাস ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার দেওয়া ৩৪৫ রানের পাহাড় টপকে জয়ের মুকুট ছিনিয়ে নিয়েছে পাকিস্তান। ৬ উইকেট ও ১০ বল হাতে থাকতেই জয় তুলে নেয় বাবর আজমরা। ৩৪৫ রানে টার্গেটে খেলতে নেমে পাকিস্তান দলীয় ৩৭ রানে দুই উইকেট হারালেও র্ধয্য নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন আব্দুল্লাহ শফিক ও রেজওয়ান। দলীয় ২১৩ রানে তৃতীয় উইকেটের পতন ঘটে পাকিস্তানের। ১০৩ বলে ১১৩ রান করে ক্যাচ আউট হন আব্দুল্লাহ শফিক। এরপর দলীয় ৩০৮ রানে ৪র্থ উইকেট হারায় পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত ৪৮.২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় পাকিস্তান। মোহাম্মদ রেজওয়ান করেন অপরাজিত ১২১ বলে ১৩১ রান। এর আগে হায়দারাবাদের স্টেডিয়ামে গতকাল মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় লঙ্কান অধিনায়ক। ব্যাটিংয়ে নেমে দ্বিতীয় ওভারে ধাক্বা খায় শ্রীলঙ্কা। দলীয় ৫ রানে হাসান আলীর বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে আউটি হন কুশল পেরেরা। এরপর ঘুরে দাঁড়ায় লঙ্কানরা। দলীয় ১০৭ রানে পতন ঘটে দ্বিতীয় উইকেটের। ব্যক্তিগত ৫১ রান করে শাহদাব খানের বলে আউট হন নীশানাকা। তার আউট হওয়ার পর যেন আরো তীব্র ঝাঁঝে পাক বোলারদের তুলোধুনো করতে শুরু করে লঙ্কান ব্যাটাররা। কুশল মেন্ডিস ও সাদিরা উইকেট ভাঙতেই পারছিলনা পাক বোলাররা। অবশেষে দলীয় ২১৮ রানে ১২২ রান করে ফিরে যান মেন্ডিস।
মেন্ডিস আউট হওয়ার পর দেখেশুনে খেলতে থাকেন সাদিরা। তিনি করে ফেলেন সেঞ্চুরি। ১০৮ রান করে হাসান আলীর বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে আউট হন সাদিরা। এই দুই সেঞ্চুরির ওপর ভর করে ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩৪৪ রান সংগ্রহ করে লঙ্কানরা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
শ্রীলঙ্কা : ৫০ ওভারে ৩৪৪/৯ (নিসানকা ৫১, পেরেরা ০, মেন্ডিস ১২২, সামারাউইক্রমা ১০৮, আসালাঙ্কা ১, ধানাঞ্জয়া ২৫, শানাকা ১২, ওয়েলালাগে ১০, থিকশানা ০, পাথিরানা ১*,
বোলিং: আফ্রিদি ৯-০-৬৬-১, হাসান ১০-০-৭১-১৪, নাওয়াজ ৯-০-৬২-১, রউফ ১০-০-৬৪-২, শাদাব ৮-০-৫৫-১, ইফতিখার ৪-০-২২-০)
পাকিস্তান : ৪৮.২ ওভারে ৩৪৫/৪ (শাফিক ১১৩, ইমাম ১২, বাবর ১০, রিজওয়ান ১৩১*, হাকিল ৩১, ইফতিখার ২২*,
বোলিং: থিকশানা ১০-০-৫৯-১, মাদুশানকা ৯.২-০-৬০-২, শানাকা ৫-০-৬০-২, পাথিরানা ৯-০-৯০-১, ওয়েলালাগে ১০-০-৬২-০, ধানাঞ্জয়া ৪-০-৩৬-০, আসালাঙ্কা ১-০-১০-০)
ফল: পাকিস্তান ৬ উইকেটে জয়ী
ম্যান অব দা ম্যাচ: মোহাম্মদ রিজওয়ান
![]()
