হুমায়ূন আহমেদ অমরত্বের অধিপতি
– মিলি সুলতানা
মেঘের সফেদ ভেলায় শরতের সাথে
তুলতুলে কাশ ফুল হয়ে এসেছেন
সাহিত্যের অমরত্ব লাভ করেছেন,
তিনি রাজাধিরাজ ভ্রমরকে জাগাতে হেমন্ত হয়ে
ধরা দিয়েছেন ধরণীতে।
প্রথমবার পেয়েছিলাম যৌবনের বনানী উদ্যান
স্মৃতির অনুরাগে হৃদয় ভাসে
আজ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে সকল কিছু ভুলিয়ে
সূর্যাস্ত দেখি নিরালায় বসে।
তোমার হলুদিয়া হিমুর জন্য একা হিম হিম
সন্ধ্যেবেলা ভুবন পেরিয়ে এসেছি।
শুধু চুম্বকীয় গল্পের জন্য অপলক মুখশ্রীর
শান্তি দেখেছি এক ঝলক,
হে সাহিত্যের মহানায়ক, হে মাটির মানুষ
তাঁর রঙের তুলিতে কাল্পনিক নারী
বিজয় মুকুট মাথায় পরেছে।
গল্প উপন্যাস নাটক কবিতা প্রবন্ধ নিবন্ধের
প্রতিটির ওপর রচেছিলেন অখণ্ড কর্তৃত্ব।
অনন্ত কুয়ার জলে আধেক চাঁদ ডুবেছে,
ঘুংগুরের ছন্দে গুচ্ছ গুচ্ছ শব্দমালা বেরিয়েছে।
হুমায়ূন আহমেদ সূর্যাস্তের পর
সুরাচার্যে অবগাহন করেও অবলীলায় বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ আর সুধাসিক্ত করে গিয়েছেন।
আমরা তোমাকে ভুলব না, মুহূর্তকাল ভুলব না
তুমি নক্ষত্রপতি হয়ে রাতের আকাশে
জ্বলজ্বল করবে আজীবন।
![]()
